বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং শ্যামলীর হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলা ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন নির্ধারিত দিনে জমা দিতে পারেনি পুলিশ। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইলের আদালতে শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী মোকছেদুল হাসান মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তদন্তের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলনের জন্য তদন্ত কর্মকর্তার করা আবেদনও আদালত নামঞ্জুর করেছেন। পরবর্তী শুনানির তারিখ বিষয়ে আদালত আদেশ সংরক্ষণ করেছেন।
মামলার প্রেক্ষাপট
বাদী আবু হুরায়রার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তার বাবা জিন্নাত আলী গুরুতর অসুস্থ হলে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করানো হয়। সেখানে হাসপাতালের এক কর্মচারী আইসিইউ বেড না থাকার অজুহাতে তাকে শ্যামলীর হৃদয় জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে হয়রানি করা হয়। পরে তাকে পুনরায় সরকারি হাসপাতালে ফেরত আনা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মামলার অভিযোগ
সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো, চিকিৎসায় অবহেলা এবং আর্থিকভাবে জিম্মি করার অভিযোগে গত ১৪ মে আবু হুরায়রা আদালতে মামলাটি করেন। এতে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক, চিকিৎসক, ওয়ার্ডবয় ও নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা), ৩০৪ (অবহেলায় মৃত্যু), ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ইতোমধ্যে বাদীপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেছেন এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষ।










