বাংলাদেশের ঢাকার সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্ট বিভাগের প্রত্যেক বিচারপতির সঙ্গে অন্তত একজন করে ‘রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেন্স অফিসার’ নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন। বিচারব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং মামলার জট কমানোর লক্ষ্যেই মূলত এই আবেদন করা হয়েছে।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে বিচারপতিরা মামলার শুনানির পাশাপাশি আইন পর্যালোচনা, দেশি-বিদেশি নজির বিশ্লেষণ এবং রায় লেখার মতো অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ কাজগুলো ব্যক্তিগতভাবে করে থাকেন। তাদের সহায়তার জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা কাঠামো নেই। গবেষণা কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে বিচারপতিরা তাদের মূল বিচারিক কাজে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে পারবেন, যা মামলার নিষ্পত্তির গতি ত্বরান্বিত করবে।
আবেদনকারীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ভারত, জাপান, সিঙ্গাপুর ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের অনেক দেশে বিচারপতিদের সহায়তায় ল ক্লার্ক বা গবেষণা কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। সেই আদলে বাংলাদেশেও এই ব্যবস্থা চালু করা এখন সময়ের দাবি।










