আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিকে ঐক্যবদ্ধ দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার এই মন্তব্যের পর যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য মার্কিন সরকারের নতুন কোনো পররাষ্ট্রনীতি নাকি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে নিযুক্ত ট্রাম্পের বিশেষ দূত মিক মালভানি জানান, এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন নির্দেশ করে না। তিনি বলেন, গুড ফ্রাইডে চুক্তির প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান ব্রেন্ডন বয়েলও দ্বিমত পোষণ করে জানান, এই চুক্তি নিয়ে উভয় দলের সমর্থন অটুট রয়েছে।
ডাবলিনে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ফের তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ভাষণের বেশিরভাগ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যু যেমন অবৈধ অভিবাসন দমন, প্রতিরক্ষা উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ইরানের সামরিক অভিযানের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সমালোচনা নিয়ে কথা বলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্যের লক্ষ্য সম্ভবত আটলান্টিকের ওপারে থাকা মার্কিন ভোটাররা। সামনেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন, যেখানে রিপাবলিকান দল বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ আইরিশ বংশোদ্ভূত। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পেছনে সেই আইরিশ-আমেরিকান সুইং ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের একটি কৌশল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।









