বাংলাদেশের কক্সবাজারের মহেশখালীতে কার্গো সংকটের কারণে এক্সিলারেট এনার্জির ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমেছে বলে জানিয়েছেন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা। এই সংকট জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহের ওপর প্রভাব ফেলেছে, যা জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার জাতীয় গ্রিডে ৬২৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হলেও বুধবার তা কমে প্রায় ৫৫০ থেকে ৫৭০ এমএমসিএফডিতে নেমে এসেছে। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে সরবরাহ কমেছে প্রায় ৫৫ থেকে ৭৫ এমএমসিএফডি।
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এই টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যার ফলে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতির পর গত ৬ আগস্ট থেকে টার্মিনালটি সীমিত পরিসরে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। অগ্নিকাণ্ডে টার্মিনালটির একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটি এখনো সচল করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে এটি পূর্ণ সক্ষমতায় (৬০০ এমএমসিএফডি) ফিরতে পারেনি।
পাশাপাশি, আবহাওয়াজনিত সমস্যার কারণে সামিটের এফএসআরইউ থেকেও এলএনজি সরবরাহ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। এই দুটি কারণে জাতীয় গ্রিডে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ কমে গেছে।









