নেদারল্যান্ডসে বসবাসরত মিনু গেলটিঙ্ক এবং মিনাল তিসেন দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক শেষে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে তারা সম্পর্কে আপন বোন। এই ঘটনাটি মূলত ভারতের মুম্বাই থেকে শুরু, যেখানে ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে জন্ম নেওয়া এই দুই নারীকে আলাদা দুটি এতিমখানা থেকে দত্তক নিয়েছিল নেদারল্যান্ডসের দুটি পরিবার। বিষয়টি তাদের নিজেদের আত্মিক সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক নিশ্চয়তা প্রদান করেছে।
শৈশবে কৈশোরে এক দত্তক গ্রহণকারী সংস্থার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রথমবার দেখা হয়েছিল মিনু ও মিনালের। সেসময় একে অপরের শারীরিক গঠন ও হাসির মিল দেখে তারা অবাক হয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অপরকে ‘বোন’ বলে সম্বোধন করতেন এবং নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তবে ১৫ বছর আগে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
২০১৭ সালে মিনু ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের শিকড় খোঁজার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে গত মে মাসে মিনালও ডিএনএ পরীক্ষা করান এবং ফেসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের ফলাফলে ১০০ শতাংশ মিল পাওয়া যায়। তারা বুঝতে পারেন, তাদের মা-বাবা একই।
বর্তমানে ৪৩ বছর বয়সী মিনু এবং ৪৪ বছর বয়সী মিনাল এই পুনর্মিলনকে একটি অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, জীবনের অনেকটা সময় তারা একে অপরের থেকে দূরে থাকলেও এখন তারা এই সম্পর্কের পূর্ণতা খুঁজে পেয়েছেন। ভবিষ্যতে তারা একসঙ্গে নিজেদের জন্মস্থান মুম্বাইতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।










