বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় মেহেদী হাসান মাহিন (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গ্রামীণ লোন’ নামের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ভুয়া ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই প্রতারণা চক্রের কার্যক্রম বন্ধ ও অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, চক্রটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ডিজিটাল ঋণের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করতো। আগ্রহী ব্যক্তিদের তাদের তৈরি করা ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হতো। এরপর ঋণ অনুমোদনের শর্ত হিসেবে ঋণের ১০ শতাংশ টাকা জামানত হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দিতে বাধ্য করতো তারা। এছাড়া ভুক্তভোগীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবিও সংগ্রহ করতো চক্রটি।
ভুক্তভোগীরা টাকা পাঠানোর পর তাদের জন্য তৈরি করা ভুয়া ড্যাশবোর্ডে ঋণের অর্থ ভার্চুয়ালি দেখানো হতো। তবে সেই অর্থ উত্তোলনের কোনো সুযোগ ছিল না। সোমবার ভোরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেহেদীকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে তার কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, চারটি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ৬১টি অবৈধ সিম কার্ড জব্দ করে পুলিশ।
গ্রেফতারের সময় তার ডিভাইসে ‘গ্রামীণ লোন’ ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড সক্রিয় অবস্থায় পাওয়া যায়। গ্রেফতার মেহেদী হাসান মাহিনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।










