বাংলাদেশের চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ও গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যারা একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা এখনো দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। রোববার (৯ আগস্ট) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকার যখন দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে, তখন কিছু রাজনৈতিক দল মানুষকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হলে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অপরিহার্য। রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ কমিয়ে দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামের মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ায় তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশের গুরুত্ব ভালোভাবেই বোঝেন।
জ্বালানি নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিগত সময়ের ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনাগুলো পর্যালোচনা করে বর্তমান সরকার নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে। আগামী ১০ বছরের জন্য বিদ্যুৎ ও গ্যাসের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জাতীয় সংসদের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে, যা বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী আস্থা অর্জনে সহায়তা করবে।
বিএনপির ৩১ দফা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি এখন আর শুধু দলের কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের দফায় পরিণত হয়েছে। তিনি দেশের উন্নয়নের জন্য ২০ কোটি মানুষের শ্রমকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং উন্নয়নের পথে যেকোনো বাধা রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের আগে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরের অংশ হিসেবে ফটিকছড়িতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন।










