সৌদি আরবের মক্কায় এক ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে রিয়াদ, আঙ্কারা এবং ইসলামাবাদ নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের ওপর দীর্ঘদিনের সামরিক নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহুমুখী করার লক্ষ্যেই এই নতুন জোট গঠন করা হয়েছে।
আঞ্চলিক অস্থিরতার এক বিশেষ মুহূর্তে এই চুক্তিটি সামনে এল। বর্তমানে ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকার ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। এর পাশাপাশি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কোনো চূড়ান্ত সমাধান এখনো আসেনি।
এই নতুন প্রতিরক্ষা জোট পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক দশকের সামরিক উপস্থিতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। অনেক পর্যবেক্ষক এখন খতিয়ে দেখছেন, ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা ছাতার বিকল্প হিসেবে এই ত্রিপক্ষীয় জোট কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
এই চুক্তির গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আল জাজিরার ‘ইনসাইড স্টোরি’ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেছেন আব্দুল আজিজ আল-গাশিয়ান, ডেভিড দেস রোচেস এবং জায়েদ এম বেলবাগী। সেখানে তারা রিয়াদের এই কৌশলগত পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।









