যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামিতে নিজের বাসভবনে লাইভস্ট্রিমিং চলাকালে আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় জনপ্রিয় ব্লগার পেরেস হিলটন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পরিবার জানিয়েছে, হিলটনের অবস্থা গুরুতর তবে স্থিতিশীল। মঙ্গলবার রাতে তার টিকটক লাইভস্ট্রিম দেখে আতঙ্কিত দর্শকদের সংবাদের ভিত্তিতে জরুরি সেবা কর্মীরা মিয়ামিতে তার বাড়িতে উপস্থিত হন। মিয়ামির শেরিফ অফিস নিশ্চিত করেছে যে, ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তি লাইভস্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে নিজেকে আঘাত করছিলেন এবং ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন।
৪৮ বছর বয়সী এই ব্লগারের নিজস্ব ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তার চিকিৎসা ও সেরে ওঠার প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ হবে। ফ্লোরিডার বেকার অ্যাক্টের অধীনে তাকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, যা মূলত মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে থাকা ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তার অস্ত্রোপচারের কথা রয়েছে।
টিকটক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের স্বয়ংক্রিয় মডারেশন সিস্টেমে এই লাইভস্ট্রিমটি দ্রুত শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে মডারেশন টিমের ত্রুটির কারণে ভিডিওটি সরাতে কিছুটা বিলম্ব ঘটে। এরপরই তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টটি নিষিদ্ধ করে।
পেরেস হিলটন, যার প্রকৃত নাম মারিও লাভানদেইরা, ২০০৫ সালে সেলিব্রিটি গসিপ ব্লগিংয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান। এক সময় তার ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন প্রায় ৮০ লাখ মানুষ ভিজিট করত। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন রিয়্যালিটি শোতে অংশ নেন এবং নিজের অতীতের কঠোর মন্তব্যের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন।









