নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনিস রাজ্যের শীর্ষ সরকারি কৌঁসুলি স্যালি ডাউলিংকে পদ থেকে সরানোর একটি প্রস্তাবিত সুপারিশ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ তার কাছে নেই।
- নিউ সাউথ ওয়েলসের ডিরেক্টর অব পাবলিক প্রসিকিউশন স্যালি ডাউলিংয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছিল।
- প্রিমিয়ার ক্রিস মিনিস জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি খুঁজে পাচ্ছে না সরকার।
- অন্যদিকে, সাম্প্রতিক জনমত জরিপে পলিন হ্যানসনের ‘ওয়ান নেশন’ দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।
- জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ওয়ান নেশনের ভোট ব্যাংক সরে গিয়ে বিরোধী জোটের (কোয়ালিশন) দিকে ঝুঁকেছে।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
নিউ সাউথ ওয়েলসের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে শীর্ষ সরকারি কৌঁসুলি বা ডিরেক্টর অব পাবলিক প্রসিকিউশন স্যালি ডাউলিংয়ের অপসারণের সুপারিশ নিয়ে। রাজ্যের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনিস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, স্যালি ডাউলিংয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং তাকে অপসারণের জন্য যে সুপারিশ করা হয়েছিল, তা তিনি সমর্থন করছেন না। তিনি মনে করেন, বিদ্যমান প্রমাণসমূহ একজন উচ্চপদস্থ আইন কর্মকর্তাকে পদচ্যুত করার জন্য যথেষ্ট নয়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার ডাউলিংয়ের প্রতি এক ধরনের আস্থা প্রকাশ করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
একই সাথে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় রাজনীতির সাম্প্রতিক জনমত জরিপে পলিন হ্যানসনের ‘ওয়ান নেশন’ দলের অবস্থান নিয়ে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি প্রেস ক্লাবে দেওয়া হ্যানসনের বিতর্কিত বক্তব্যের পর থেকেই তার দলের জনপ্রিয়তা কমেছে। নতুন এই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ওয়ান নেশনের ভোটাররা এখন প্রথাগত কোয়ালিশন বা বিরোধী জোটের প্রতি সমর্থন বাড়িয়েছেন। এটি আসন্ন নির্বাচনগুলোতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষণ
প্রিমিয়ার মিনিসের এই সিদ্ধান্ত একদিকে যেমন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, অন্যদিকে রাজনৈতিক বিরোধীদের সমালোচনার মুখেও তাকে দাঁড় করায়। স্যালি ডাউলিংয়ের বিষয়টি কেবলমাত্র একজন কর্মকর্তার ক্যারিয়ারের প্রশ্ন নয়, বরং এটি আইন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা রক্ষার সাথেও জড়িত। অন্যদিকে, পলিন হ্যানসনের দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে ডানপন্থী শক্তির মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোটারদের এই দলত্যাগ মূলত বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে একটি পরিবর্তনপ্রত্যাশী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।








