বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার পর ফারজানা সুলতানা নামের নয় বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সুমাইয়া নামের এক নারীকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ফারজানার মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ফারজানা কালিগঞ্জ উপজেলার কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামের লতিফ উদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গণপিটুনিতে নিহত সুমাইয়া একই এলাকার ঝালমুড়ি বিক্রেতা আমিরুলের স্ত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পর ফারজানা আর বাড়ি ফেরেনি। স্কুল ছুটির পর দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে কালিগঞ্জ থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশের সহায়তায় স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি শুরু করেন।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আমিরুলের বসতঘরের আলমারির ড্রয়ার থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির কানের স্বর্ণের দুল নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
কালিগঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধারের পরপরই উত্তেজিত জনতা সুমাইয়াকে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।








