জিম্বাবুয়ের লেক কারিবায় একটি ফেরি ডুবে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির পুলিশ নিশ্চিত করেছে। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাত্রা করা ফেরিটি শক্তিশালী ঢেউয়ের কবলে পড়ে উল্টে যায়। উদ্ধার অভিযান জোরদার করতে প্রেসিডেন্ট এমারসন মনাগাওয়া দেশটিতে দুর্যোগকালীন অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
দুর্ঘটনার বিবরণ
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৯০ জন যাত্রী ও ৫ জন ক্রু ধারণক্ষমতার ফেরিটিতে ঘটনার সময় ১২০ জনেরও বেশি মানুষ ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ১২ জন শিশুও ছিল। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে ফেরিটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে এবং সেটি ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পানির ওপর ফেরিটির উল্টে যাওয়া অংশ ভাসতে দেখা গেছে।
উদ্ধার তৎপরতা
এখন পর্যন্ত ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড্যানিয়েল গারওয়ে জানিয়েছেন, উদ্ধার কাজে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর বোট স্কোয়াড্রন, পুলিশের ডুবুরি দল ও বেসরকারি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। সিভিল প্রোটেকশন ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, ফেরিটিতে টিকিট কাটা যাত্রী ছিল ১১৪ জন, তবে টিকিটবিহীন অনেক শিশুও নৌকায় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমান্তে অবস্থিত লেক কারিবা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মানবসৃষ্ট জলাধার। যাতায়াত, মৎস্য শিকার এবং উভয় দেশের জলবিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এই লেক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাত্রীরা কারিবা শহরে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। স্থানীয় সংসদ সদস্য মুতসা মুরম্বেদজি ঘটনার সঠিক তদন্ত ও নৌকায় যাত্রী সংখ্যার স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।










