Home / আন্তর্জাতিক / ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হত্যা: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হত্যা: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোতে ২০২৩ সালে নির্বাচনী প্রচারণাকালে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওকে হত্যার ঘটনায় দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে সেরানোসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। এই হত্যাকাণ্ডটি দেশটির রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ ভিলাভিসেনসিও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এবং অপরাধ জগতের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছিলেন।

অভিযুক্তদের মধ্যে অপরাধী চক্র ‘লস লবোস’-এর প্রধান উইলমার ‘পিপো’ চাভারিয়াও রয়েছেন। ইকুয়েডরের প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, এই সাত ব্যক্তি ভিলাভিসেনসিও হত্যাকাণ্ডে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। সেরানো এবং জেভিয়ার জর্ডান যুক্তরাষ্ট্রে, রনি আলেগা ভেনিজুয়েলায় এবং লস লবোসের নেতা পিপো স্পেনে অবস্থান করছেন। পিপোকে ফেরাতে ইকুয়েডর সরকার স্পেনের কাছে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, হত্যাকাণ্ডের পর ২০২৪ সালে অপরাধী চক্রের সঙ্গে যুক্ত পাঁচজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। মূল হামলাকারী ঘটনাস্থলেই পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ভিলাভিসেনসিও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যেও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে প্রাণ দিতে হয়।

বর্তমানে ইকুয়েডরের আদালতে এই মামলার প্রাক-বিচারিক শুনানি চলছে। বিচারক সিদ্ধান্ত নেবেন প্রসিকিউটরদের দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি পূর্ণাঙ্গ বিচারে যাওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী কি না। লস লবোস চক্রটি মেক্সিকোর শক্তিশালী ড্রাগ কার্টেলের সঙ্গে যুক্ত বলে ধারণা করা হয়। ইকুয়েডর বর্তমানে কোকেন পাচারের প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির প্রশাসন।

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *