যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের সানবর্নটন টাউন হলে আয়োজিত প্রাইমারি নির্বাচনে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থীরা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী জন ই সুনুনু এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ক্রিস পাপাস সিনেট আসনের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে যাচ্ছেন, যা উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সিনেটর জ্যঁ শাহিনের স্থলাভিষিক্ত হতে এই দুই প্রার্থী এখন সরাসরি প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবেন।
প্রতিনিধি পরিষদের লড়াই
হাউস রিপাবলিকান প্রাইমারিতে প্রথম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে অ্যান্থনি ডি লরেঞ্জো এবং দ্বিতীয় ডিস্ট্রিক্টে লিলি ট্যাং উইলিয়ামস জয়লাভ করেছেন। ট্যাং উইলিয়ামস এখন দ্বিতীয় মেয়াদে লড়তে যাওয়া ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ম্যাগি গুডল্যান্ডারের মুখোমুখি হবেন। এছাড়া, প্রথম ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্র্যাটিক দলের তীব্র লড়াইয়ের পর স্টেফানি শাহিন জয় পেয়েছেন।
গভর্নর পদের নির্বাচন
গভর্নর পদে রিপাবলিকান কেলি আয়োটে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। তিনি বর্তমান ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিন্ডি ওয়ার্মিংটনের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। নিউ হ্যাম্পশায়ারের রাজনৈতিক অঙ্গনে রিপাবলিকানরা রাজ্য সরকারে আধিপত্য রাখলেও কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব দীর্ঘদিনের। তবে রিপাবলিকানরা এবার এই রাজ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক অবস্থান ও বিতর্ক
সিনেট পদপ্রার্থী জন সুনুনু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছেন, যদিও অতীতে তিনি ট্রাম্পের সমালোচনা করেছিলেন। অন্যদিকে ক্রিস পাপাস তার প্রচারণায় সুনুনুকে ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে জড়িয়ে আক্রমণ করছেন। পাপাসের দাবি, সুনুনুর নীতিগুলো বড় কর্পোরেশন ও ধনকুবেরদের স্বার্থ রক্ষা করে। এছাড়া ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে কারিশমা মাঞ্জুর হেরে যাওয়ায় পাপাসের পথ সহজ হয়েছে, যদিও তিনি ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে কিছু সমালোচনার মুখেও ছিলেন।
রোড আইল্যান্ড পরিস্থিতি
নিউ হ্যাম্পশায়ারের পাশাপাশি রোড আইল্যান্ডের ভোটাররা আগামী দিনে তাদের প্রাইমারি নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছেন। সেখানে গভর্নর ড্যান ম্যাককি এবং চ্যালেঞ্জার হেলেনা ফোকসের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জনমত জরিপে ফোকস বর্তমানে এগিয়ে আছেন।









