Home / রাজনীতি / আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য জামায়াত আমিরকে ফোন করেছিলেন ড. ইউনূস

আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য জামায়াত আমিরকে ফোন করেছিলেন ড. ইউনূস

বাংলাদেশের ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ঢাকা-১০ আসনের আসন সমঝোতার বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে ফোন করেছিলেন। তবে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব নিতে রাজি না হওয়ায় জামায়াত সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে।

রাশেদ খাঁন জানান, নাহিদ ইসলাম তার কাছে আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে, অনেক দরকষাকষির পরেও জামায়াতের আমির ঢাকা-১০ আসনটি আসিফ মাহমুদের জন্য ছাড়েননি। জামায়াত আমিরের মন্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি লেখেন, জামায়াত কোনোভাবেই আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিতর্কের দায় নিতে রাজি নয়। এমনকি ড. ইউনূসের অনুরোধের জবাবে জামায়াত আমির জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে আরও ২-৩টি আসন বেশি ছাড়া সম্ভব, কিন্তু আসিফের বিষয়ে যেন কোনো অনুরোধ না করা হয়।

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ১৮ মাসের উপদেষ্টা থাকাকালে আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, যা এনসিপিতে একটি ‘ওপেন সিক্রেট’। তিনি আরও দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে বাঁচতে একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি একজন উপদেষ্টাকে অবহিত করলে তিনিও বেতন থেকে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রদান অসম্ভব বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, আসিফ মাহমুদ ওমরাহ থেকে ফিরে ভুল স্বীকার করলে হয়তো তাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা যেত। কিন্তু বিরোধী দলের অনেকেই আসিফের পক্ষে থাকলেও, নিজের কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে অনড় থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *