ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশুসহ অন্তত পাঁচজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গাজা সিটির আল-কাতিবা এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে চালানো হামলায় চারজন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার কথা আল-শিফা হাসপাতালের মেডিকেল সূত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়া গাজার মধ্যাঞ্চলে পৃথক এক হামলায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হামাস সদস্যকে আটকের লক্ষ্য নিয়ে চালানো এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর জেরে এলাকায় তীব্র সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার বিবরণ
গাজা সিটিতে অবস্থানরত সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, হামলার সময় ওই এলাকায় অন্তত ১৩টি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। প্রায় ৩৫ মিনিট ধরে চলা অবিরাম ড্রোন হামলায় এলাকাটি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, সেখানে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর একটি দলের উপস্থিতি টের পাওয়ার পর উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এরপরই ইসরায়েলি বাহিনী আকাশ থেকে তীব্র হামলা শুরু করে।
ইসরায়েলি দাবির প্রেক্ষিতে
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, তাদের বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হামাসের এক সদস্যকে আটকের লক্ষ্যে এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামাসের পক্ষ থেকেও গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি
গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ এলাকায় চালানো পৃথক হামলায় অন্তত একজন নিহত হওয়ার বিষয়টি আল-আকসা মার্টিয়ার্স হাসপাতাল নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তাদের বাহিনীর ওপর হুমকি দূর করতেই এই লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৩২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।










