বাংলাদেশের জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাচা ও ভাতিজাকে হত্যার দায়ে সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টায় জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাখাওয়াত, সোহেল, আল-আমিন, সাদ্দাম, অন্তর, উজ্জ্বল ও ফয়জুর। অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন চান মিয়া, জিয়ার, শাহ আলম, কাওছার, সুমন, রিফাত ও মোস্তফা। সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামি এবং ভুক্তভোগী পরিবার মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, পূর্ববিরোধের জেরে ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গান-বাজনার কথা বলে আসামী সাখাওয়াত ও সোহেল চাচা মহর আলী ও ভাতিজা স্বপন মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী এলাকার একটি পাটখেতে নিয়ে তাদের দুজনকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর পুলিশ ওই পাটখেত থেকে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর আজ এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।










