বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি আহমদ সোহেল ও বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। নদী ভাঙন রোধ এবং আইন অমান্য করে বালু উত্তোলন বন্ধের প্রয়োজনীয়তা থেকে আদালত এই নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
আদালত এই বিষয়ে একটি রুল জারি করেছেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, ভাঙনকবলিত এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে বিবাদীদের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। এছাড়া বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে ছাড়া জারিকৃত বালুমহাল বিজ্ঞপ্তি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নদীটির নাম সরকারি নথিতে ভুল বা অপ্রচলিত নামে রেকর্ডভুক্ত থাকায় তা সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সরকারি দপ্তরে ‘বুড়া গৌরাঙ্গ’সহ অন্যান্য নামে থাকা রেকর্ড সংশোধন করে প্রকৃত ‘তেঁতুলিয়া নদী’ নামে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
মামলার বিবাদীদের মধ্যে রয়েছেন ভূমি সচিব, পানিসম্পদ সচিব, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।










