উগান্ডার এনতেব্বে বিমানবন্দরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বড় ভাই ইয়োনাটান নেতানিয়াহুর একটি ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়েছে। ৫০ বছর আগে এনতেব্বে বিমানবন্দর জিম্মি উদ্ধার অভিযানে নিহত ইয়োনাটান নেতানিয়াহুর সাহসিকতা ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতি সম্মান জানিয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা এই ভাস্কর্য উন্মোচন করেন। এই ঘটনাটি উভয় দেশের সম্পর্কের বিবর্তনের সাক্ষী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৭৬ সালের ২৭ জুন তেল আবিব থেকে প্যারিসগামী একটি এয়ার ফ্রান্স বিমান ছিনতাই করে উগান্ডার এনতেব্বে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী ওই বিমানে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে বিভিন্ন দেশে বন্দি ৫৩ জন জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানায়। পরবর্তীতে ৩ জুলাই ইসরায়েলি কমান্ডোরা এক বিশেষ অভিযানে শতাধিক জিম্মিকে উদ্ধার করে। সেই অভিযানে একমাত্র ইসরায়েলি সেনাসদস্য হিসেবে ইয়োনাটান নেতানিয়াহু নিহত হন।
ভাস্কর্যটি পুরনো বিমানবন্দর টার্মিনালের বাইরে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে সেই উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। অভিযানে তিন জিম্মি ও ডোরা ব্লচ নামের এক নারীসহ বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান। এছাড়া ছিনতাইকারী ও অন্তত ৪৫ জন উগান্ডার সেনা সদস্য নিহত হন।
সেনাপ্রধান কাইনেরুগাবা বলেন, তখনকার উগান্ডার ইদি আমিন সরকার একটি নিষ্ঠুর স্বৈরশাসন ছিল যা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করত না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এনতেব্বে উদ্ধার অভিযান আধুনিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বর্তমান সময়ে ইসরায়েল ও উগান্ডার মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তাকে তিনি এক অসাধারণ যাত্রা বলে অভিহিত করেন।










