বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বারিধারায় ময়লার ডিপোর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ওপর গুলির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। র্যাব-১-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বান্দরবান সদর উপজেলার আর্মিপাড়া এলাকার স্কাইব্লু রিসোর্ট থেকে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। এই গ্রেফতারের ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি রাজধানীর ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে বন্দুক ব্যবহারের গুরুতর অপরাধের প্রতিফলন।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মো. হেলাল মিয়া (৪০), সৈয়দ এনামুল হক লাবু (৪৬) ও মোশারফ হোসেন (৩৩)। তারা পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি।
ঘটনার সূত্রপাত
গত ১৯ জুলাই রাতে ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া বারিধারা কে-ব্লকের ময়লার ডিপোতে যান। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা অভিযুক্তরা সেখানে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে শহীদের ছোট ভাই তৌহিদ ময়লার গাড়ির নিচে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু হামলাকারীদের ছোড়া একটি গুলি তার পায়ে বিদ্ধ হয়। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় ময়লার ডিপোর শ্রমিকদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং মারধর করে।
আহত তৌহিদের চিকিৎসা
আহত তৌহিদকে প্রথমে ভাটারা এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেষে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। তৌহিদ ময়লা পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানের একজন শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আইনি ব্যবস্থা
ঘটনার পর শহীদ মিয়া বাদী হয়ে গুলশান থানায় বরকতুল্লাহ শুভ, গ্রেফতার তিন আসামি এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। র্যাব-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম জানিয়েছেন, গোয়েন্দা নজরদারি ও র্যাব-১৫-এর সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। মামলার বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।










