ফিলিপাইনের পালাওয়ানে পর্যটন কেন্দ্র করনের কাছে এমভি জুন অ্যাস্টার ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র কমোডোর নোমি কায়াবায়াব এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার অভিযান ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করায় এই ঘটনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
উদ্ধার তৎপরতা ও পরিস্থিতি
ম্যানিলা থেকে ছেড়ে আসা ফেরিটিতে ১৩০ জনের বেশি যাত্রী ও কর্মী ছিলেন। বুধবার ফেরিটিতে আগুন লাগার পর ৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বিষাক্ত ধোঁয়া এবং অতিরিক্ত তাপের কারণে দুর্ঘটনাকবলিত ফেরিটিতে শুক্রবারের আগে উদ্ধারকর্মীরা প্রবেশ করতে পারেননি। ফেরির ঘুমানোর জায়গা থেকে অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখনো ৫০ জনেরও বেশি যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
তদন্ত ও কারণ
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, কার্গো হোল্ড থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাত দিয়ে কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, অনেক যাত্রী লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করেননি। ২০০২ সালে নির্মিত এই ফেরিটির বৈধ নিরাপত্তা সনদ ছিল এবং মার্চ মাসে এটি সর্বশেষ পরিদর্শন সম্পন্ন করেছিল। তবে জাহাজটিতে যাত্রী সংখ্যার তালিকা বা ম্যানিফেস্টের গরমিল, মালামাল লোড করার পদ্ধতি এবং জরুরি অবস্থায় কর্মীদের তৎপরতা নিয়ে তদন্ত চলছে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
ফেরিটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাটিয়েনজা ইন্টারআইল্যান্ড ফেরিস তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তারা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। উদ্ধার হওয়া এক যাত্রী জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর ফেরিতে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল এবং বাঁচার জন্য মানুষ ছোটাছুটি শুরু করেছিল।









