আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনের ক্রোক পার্কে শনিবার ক্যারিয়ারের শেষ বক্সিং লড়াইয়ে নামছেন কেটি টেইলর, যেখানে ৮০ হাজার দর্শকের সামনে ফরাসি চ্যালেঞ্জার ফ্লোরা পিলির মুখোমুখি হবেন তিনি। এই ম্যাচটি জিতে তৃতীয়বারের মতো অবিসংবাদিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে মাঠ ছাড়তে চান ৪০ বছর বয়সী এই বক্সার। ডব্লিউবিএ, আইবিএফ এবং ডব্লিউবিও সুপার-লাইটওয়েট শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি এই লড়াইয়ে খালি থাকা ডব্লিউবিসি বেল্টও ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
নিজের ক্যারিয়ারের শেষ মুহূর্ত নিয়ে টেইলর বলেন, বিশ্বের অন্য কোনো দেশে একজন নারী অ্যাথলেটের লড়াই দেখতে ৮০ হাজার দর্শক জড়ো হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তিনি আরও যোগ করেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ভক্তরা তাকে বিশ্বজুড়ে অনুসরণ করেছেন, তাই শেষবার তাদের যোগ্য একটি পারফরম্যান্স উপহার দিতে চান তিনি। তবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে লড়াইয়ের দিকে মনোযোগ রাখা চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন তিনি। বক্সিং অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলা, যেখানে শরীর রিংয়ে থাকলেও মন অন্যত্র রাখা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন এই তারকা।
২০০১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে আয়ারল্যান্ডের প্রথম অনুমোদিত নারী বক্সিং ম্যাচে অংশ নেন টেইলর। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়ী এই তারকা ২০১৬ সালে পেশাদার বক্সিং শুরু করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২৫টি জয়ের বিপরীতে তার একটি মাত্র পরাজয় রয়েছে। ২০১৩ সালে পেশাদার বক্সিংয়ে প্রথম শিরোপা জেতা টেইলর পরবর্তীতে একাধিক ওজনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
ডাবলিনের ক্রোক পার্কে এই ইভেন্টটি আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৭২ সালে মুহাম্মদ আলীর লড়াইয়ের পর এই স্টেডিয়ামে এটিই প্রথম বড় বক্সিং শো। নিজের অবসরের পর তরুণ প্রজন্মের মেয়েদের বক্সিংয়ে আসার যে ধারা তৈরি হয়েছে, সেটিকেই নিজের শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে দেখছেন টেইলর।










