জাম্বিয়ার রাজধানী লুসাকায় দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিকাইন্দে হিচিলেমা ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পর হিচিলেমা জানিয়েছেন, জনগণের এই রায় জাম্বিয়ার গণতন্ত্র ও শান্তিকেই প্রতিফলিত করে। তবে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রায়ান মুন্দুবিল এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।
মুন্দুবিল বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। তার দাবি, জীবননাশের হুমকির মুখে তিনি একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার সুরক্ষায় নিরাপদ অবস্থানে আছেন। এর আগে সরকারি বাহিনীর অভিযানের সময় তার বাসভবনে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এটি ছিল তাকে হত্যার অপচেষ্টা। সরকার তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের যে অভিযোগ এনেছে, তা তিনি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মুন্দুবিল বলেন, এই ফলাফল নির্বাচনের প্রকৃত প্রতিফলন নয়। আমাদের কাছে অনিয়মের প্রমাণ রয়েছে এবং আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনি সব সুযোগ ব্যবহার করব।
বিজয়ী হওয়ার পর ৬৪ বছর বয়সী হিকাইন্দে হিচিলেমা বলেন, জনগণের আস্থার প্রতি আমরা বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। জাম্বিয়া একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেখানে ব্যালট বাক্সের মাধ্যমেই সব মতপার্থক্য নিরসন করা হয়। যারা বিরোধীদের সমর্থন দিয়েছেন, তাদের কথাও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু জায়গায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনের পর ফলাফল ঘোষণার আগে ভোট গণনার কাজ সাময়িকভাবে স্থগিতও করেছিল নির্বাচন কমিশন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলগুলো নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশের প্রশংসা করলেও, প্রচারাভিযানের সময় বিরোধী দলের ওপর বিধিনিষেধ এবং মিডিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।










