Home / আন্তর্জাতিক / যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় আরও আলোচনার প্রয়োজন: কানাডার মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় আরও আলোচনার প্রয়োজন: কানাডার মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে তাদের এখনো বেশ কিছু কাজ বাকি আছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া মধ্যরাতের সময়সীমার আগে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আলোচনা চালিয়ে যাবেন এবং তাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত না হলে কানাডায় উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যের ওপর নতুন করে বাড়তি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা না এলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং তিনি ভালো চুক্তিতে বিশ্বাসী।

চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ এবং কানাডিয়ান গাড়ির ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এর বিনিময়ে কানাডা মার্কিন ডেইরি পণ্যের বাজার উন্মুক্ত করা এবং দেশটিতে মার্কিন অ্যালকোহল বিক্রির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছে।

এই সম্ভাব্য চুক্তির বিরোধিতা করেছেন কানাডার রক্ষণশীল দলের নেতা পিয়েরে পোইলিভরে। তিনি একে একতরফা ও ক্ষতিকর চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। এছাড়া ম্যানিটোবার প্রিমিয়ার ওয়াব কিউইসহ বেশ কয়েকজন প্রাদেশিক নেতা এই চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কানাডার এমন কোনো চুক্তিতে যাওয়া উচিত নয় যা দেশীয় শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

অন্যদিকে কানাডার ব্যবসায়িক মহল ও অর্থনীতিবিদদের মতে, চুক্তি না হলে নতুন করে শুল্ক আরোপের ফলে দেশটিতে প্রায় ৯০ হাজার কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি একদিকে ট্রাম্পের কঠোর নীতির বিপরীতে আপসহীন থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অন্যদিকে বাণিজ্য যুদ্ধ এড়াতে চুক্তির জন্য অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় দিক থেকেই চাপের মুখে রয়েছেন।

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *