নেপালের ত্রিশূলী নদী তীরবর্তী এলাকায় হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় সুড়ঙ্গে আটকা পড়া মানুষদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। হিমালয়ের উচ্চতর অংশে হিমবাহ ধসের ঘটনায় অন্তত ১,২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও হাজারো মানুষ। বিবিসি সাউথ এশিয়া প্রতিনিধি আযাদেহ মোশিরি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত হিমবাহ থেকে নেমে আসা পানি ও ধ্বংসাবশেষ রাস্তা ও গ্রামগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে।
উদ্ধার তৎপরতা
ঘটনার আট দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সুড়ঙ্গগুলোতে আটকে থাকা সম্ভাব্য জীবিতদের সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকারীরা ড্রোন এবং ভেলা ব্যবহার করে দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনার কারণ ও প্রভাব
হিমালয়ের চূড়ায় হিমবাহ ধসের প্রভাবে বিশাল জলরাশি ও পাহাড়ি ঢল লোকালয়ে আঘাত হানে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়া ও কাদার স্তূপের কারণে মূল সুড়ঙ্গগুলোতে পৌঁছানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে স্থানীয় প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।










