জাম্বিয়ার লুসাকা শহরে দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা ব্রায়ান মুন্দুবিলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার আইনজীবী মিলনার কাতোলো বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মুন্দুবিল আদালতে এই অভিযোগের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দেশটির রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
গত ১৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মুন্দুবিল ৩৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন, অন্যদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাকাইন্দে হিচিলেমা ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হন। মুন্দুবিল এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান।
নির্বাচনের পরদিন লুসাকায় মুন্দুবিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বাড়িতে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালায়। ওই অভিযানে একজন সাবেক মন্ত্রী নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদকে আটক করা হয়। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুন্দুবিলের দল এনআরপিইউপি সশস্ত্র বিদ্রোহের পরিকল্পনা করছিল, যদিও দলটি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
নিরাপত্তা অভিযানের পর মুন্দুবিল এবং তার রানিং মেট মাকিবি জুলু লুসাকায় জাতিসংঘের একটি ভবনে আশ্রয় নিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের চাপে জাতিসংঘ তাদের হস্তান্তর করতে বাধ্য হয়। মুন্দুবিল ও জুলুসহ মোট ১৭ জনকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পায়নি বিরোধী পক্ষ। সোমবার ছিল মামলা দায়েরের শেষ দিন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ আদালত প্রাঙ্গণ ঘিরে রাখায় আইনি লড়াইয়ে যেতে ব্যর্থ হয় বিরোধী দলগুলো। আগামী ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট হিচিলেমার দ্বিতীয় মেয়াদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।










